নিউজ ডেস্ক:মারুতি সুজুকি ভারতের গাড়ির বাজারে একটি বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে। কোম্পানিটি তাদের সম্পূর্ণ নতুন মিডসাইজ এসইউভি মারুতি সুজুকি এসকুডো (Maruti Suzuki Escudo) আগামী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করতে চলেছে। অভ্যন্তরীণভাবে ওয়াই১৭ (Y17) কোডনেমে পরিচিত এই গাড়িটি মারুতির এরিনা (Arena) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। যদিও “এসকুডো” নামটি বর্তমানে আলোচনায় রয়েছে, তবে বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে আসার আগে কোম্পানি নাম পরিবর্তন করতে পারে।
মারুতি সুজুকির এসইউভি পোর্টফোলিওতে এই নতুন মডেলটি ব্রেজ্জা এবং গ্র্যান্ড ভিটারা-এর মাঝামাঝি অবস্থান নেবে। এর ফলে এটি এরিনা শোরুম নেটওয়ার্কে নতুন ফ্ল্যাগশিপ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। লঞ্চের পর গাড়িটি সরাসরি প্রতিযোগিতা করবে ভারতের জনপ্রিয় মিডসাইজ এসইউভি সেগমেন্টের শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে, যেমন হুন্ডাই ক্রেটা (Hyundai Creta), যা বর্তমানে বাজারে আধিপত্য করছে, এবং টাটা নেক্সন (Tata Nexon), যা ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী বিক্রির রেকর্ড ধরে রেখেছে।
নতুন এসকুডো মারুতির জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি হবে কোম্পানির মিডসাইজ এসইউভি সেগমেন্টে দ্বিতীয় প্রয়াস। গ্র্যান্ড ভিটারার পর এবার এসকুডোর মাধ্যমে মারুতি সুজুকি তাদের বাজার দখল আরও শক্তিশালী করতে চায়। ভারতীয় এসইউভি বাজারে প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ছে, এবং এই লঞ্চের মাধ্যমে কোম্পানি প্রিমিয়াম মিডসাইজ এসইউভির ক্রমবর্ধমান চাহিদার দিকে নজর দিচ্ছে।
শিল্প সূত্রে জানা গেছে, এসকুডো হবে মারুতির অন্যতম উন্নত প্রযুক্তির গাড়ি। এর মধ্যে থাকছে একাধিক হাই-এন্ড ফিচার, যা গ্রাহকদের চাহিদা ও বাজারের মানদণ্ডের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গাড়িটিতে থাকবে লেভেল-২ এডিএএস (Advanced Driver Assistance System), যা ড্রাইভিং নিরাপত্তা আরও বাড়াবে। এছাড়াও থাকবে পাওয়ার্ড টেইলগেট, যা বোতামের এক চাপে বুট খুলতে সক্ষম, এবং ডলবি অ্যাটমস (Dolby Atmos) অডিও সিস্টেম, যা প্রিমিয়াম সাউন্ড কোয়ালিটি নিশ্চিত করবে।
গাড়ির অভ্যন্তরীণ অংশেও মারুতি সুজুকি নতুনত্ব এনেছে। কেবিনে দেওয়া হতে পারে একটি ৯-ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম, যেখানে ওয়্যারলেস অ্যান্ড্রয়েড অটো এবং অ্যাপল কারপ্লে সুবিধা থাকবে। আরও থাকছে ডিজিটাল ড্রাইভার ডিসপ্লে, যা উন্নত ভিজ্যুয়াল তথ্য সরবরাহ করবে। গরমের দিনে আরামের জন্য সামনে ভেন্টিলেটেড সিট, এবং গাড়িটিতে থাকবে প্যানোরামিক সানরুফ, যা প্রিমিয়াম অনুভূতি দেবে। যদি এই সমস্ত ফিচার প্রোডাকশন মডেলে যুক্ত হয়, তবে প্রযুক্তিগত দিক থেকে এসকুডো সরাসরি হুন্ডাই ক্রেটার সমকক্ষ হয়ে উঠতে পারে।
ইঞ্জিন ও পাওয়ারট্রেনের ক্ষেত্রে এসকুডোকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে একাধিক বিকল্প রাখা হতে পারে। যদিও কোম্পানি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু ঘোষণা করেনি, তবে ধারণা করা হচ্ছে, এসকুডো গ্র্যান্ড ভিটারার ইঞ্জিন লাইনআপই অনুসরণ করবে। এর মধ্যে থাকবে ১.৫ লিটার কেএ১৫ ন্যাচারালি অ্যাসপিরেটেড পেট্রোল ইঞ্জিন, যা ইতিমধ্যেই পরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য। এছাড়াও থাকতে পারে এর সিএনজি (CNG) সংস্করণ, যা পরিবেশবান্ধব এবং জ্বালানি খরচে সাশ্রয়ী।
সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হবে টয়োটা উৎসের ১.৫ লিটার স্ট্রং হাইব্রিড ইঞ্জিন, যা যৌথভাবে ১৫০ বিএইচপি শক্তি এবং ২৬৩ এনএম টর্ক উৎপন্ন করবে। এর সঙ্গে থাকবে একটি ই-সিভিটি (e-CVT) গিয়ারবক্স, যা মসৃণ ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা দেবে। এছাড়াও বাজারে প্রথমবারের মতো মারুতি সুজুকি আন্ডারবডি সিএনজি কিট যুক্ত করতে পারে, যা লাগেজ স্পেস আরও বাড়িয়ে দেবে। কিছু ভ্যারিয়েন্টে ৪ডব্লিউডি (4WD) বিকল্পও দেওয়া হতে পারে, যা শহুরে রাস্তার পাশাপাশি অফ-রোড পরিস্থিতিতেও গাড়িটিকে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দিতে সাহায্য করবে।
প্রত্যাশিত দাম নিয়েও বাজারে জোর আলোচনা চলছে। অনুমান করা হচ্ছে, মারুতি সুজুকি এসকুডোর প্রারম্ভিক ভ্যারিয়েন্টের দাম ₹৯-১০ লক্ষ এবং টপ-স্পেক ভ্যারিয়েন্টের দাম ₹১৮-১৯ লক্ষ (এক্স-শোরুম) এর মধ্যে থাকতে পারে। যদি কোম্পানি এই মূল্যে গাড়িটি বাজারে আনে, তবে এটি সরাসরি হুন্ডাই ক্রেটার তুলনায় আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।
তবে, এসকুডোর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সঠিকভাবে দাম, ফিচার এবং ফুয়েল এফিশিয়েন্সি-এর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা। কারণ হুন্ডাই ক্রেটা ইতিমধ্যেই তার প্রিমিয়াম লুক, উন্নত প্রযুক্তি এবং ফিচারসমৃদ্ধ ডিজাইন-এর জন্য বাজারে শীর্ষস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, টাটা নেক্সন তাদের নিরাপত্তা, সাশ্রয়ী দাম এবং বৈচিত্র্যময় ভ্যারিয়েন্ট-এর কারণে গ্রাহকদের মধ্যে বিশাল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
এসকুডোর পক্ষে সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে মারুতি সুজুকির বিস্তৃত এরিনা নেটওয়ার্ক, শক্তিশালী সার্ভিস সাপোর্ট এবং দীর্ঘদিনের ব্র্যান্ড বিশ্বাসযোগ্যতা। মারুতির লক্ষ্য থাকবে, এমন একটি পণ্য বাজারে আনা, যা শুধু প্রিমিয়াম এসইউভি বাজারেই নয়, বরং কমপ্যাক্ট এসইউভি এবং মিডসাইজ এসইউভি সেগমেন্টের মাঝখানে অবস্থান করে গ্রাহকদের এক নতুন বিকল্প দেবে।
এসকুডোর লঞ্চ নিঃসন্দেহে ভারতের এসইউভি বাজারে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই সেগমেন্টে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হবে, কারণ হুন্ডাই, টাটা, কিয়া, এমজি এবং মাহিন্দ্রার মতো ব্র্যান্ডগুলোও একের পর এক নতুন মডেল আনছে। এসকুডোর সাফল্য নির্ভর করবে, মারুতি কতটা দক্ষভাবে প্রযুক্তি, ডিজাইন, পারফরম্যান্স ও মূল্যের মধ্যে সমন্বয় করতে পারে তার উপর।
যদি সমস্ত প্রত্যাশা পূরণ হয়, তাহলে মারুতি সুজুকি এসকুডো হতে পারে ২০২৫ সালের ভারতের এসইউভি বাজারের অন্যতম বড় চমক। এটি শুধু হুন্ডাই ক্রেটা ও টাটা নেক্সনের আধিপত্যকেই চ্যালেঞ্জ জানাবে না, বরং প্রিমিয়াম মিডসাইজ এসইউভির জন্য গ্রাহকদের নতুন মানদণ্ডও স্থাপন করতে পারে।Content Writer, [30-08-2025 10:08]
মারুতি সুজুকি এসকুডো: ২০২৫ সালে আসছে নতুন এসইউভি
নিউজ ডেস্ক:মারুতি সুজুকি ভারতের গাড়ির বাজারে একটি বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে। কোম্পানিটি তাদের সম্পূর্ণ নতুন মিডসাইজ এসইউভি মারুতি সুজুকি এসকুডো (Maruti Suzuki Escudo) আগামী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করতে চলেছে। অভ্যন্তরীণভাবে ওয়াই১৭ (Y17) কোডনেমে পরিচিত এই গাড়িটি মারুতির এরিনা (Arena) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। যদিও “এসকুডো” নামটি বর্তমানে আলোচনায় রয়েছে, তবে বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে আসার আগে কোম্পানি নাম পরিবর্তন করতে পারে।
মারুতি সুজুকির এসইউভি পোর্টফোলিওতে এই নতুন মডেলটি ব্রেজ্জা এবং গ্র্যান্ড ভিটারা-এর মাঝামাঝি অবস্থান নেবে। এর ফলে এটি এরিনা শোরুম নেটওয়ার্কে নতুন ফ্ল্যাগশিপ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। লঞ্চের পর গাড়িটি সরাসরি প্রতিযোগিতা করবে ভারতের জনপ্রিয় মিডসাইজ এসইউভি সেগমেন্টের শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে, যেমন হুন্ডাই ক্রেটা (Hyundai Creta), যা বর্তমানে বাজারে আধিপত্য করছে, এবং টাটা নেক্সন (Tata Nexon), যা ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী বিক্রির রেকর্ড ধরে রেখেছে।
নতুন এসকুডো মারুতির জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি হবে কোম্পানির মিডসাইজ এসইউভি সেগমেন্টে দ্বিতীয় প্রয়াস। গ্র্যান্ড ভিটারার পর এবার এসকুডোর মাধ্যমে মারুতি সুজুকি তাদের বাজার দখল আরও শক্তিশালী করতে চায়। ভারতীয় এসইউভি বাজারে প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ছে, এবং এই লঞ্চের মাধ্যমে কোম্পানি প্রিমিয়াম মিডসাইজ এসইউভির ক্রমবর্ধমান চাহিদার দিকে নজর দিচ্ছে।
শিল্প সূত্রে জানা গেছে, এসকুডো হবে মারুতির অন্যতম উন্নত প্রযুক্তির গাড়ি। এর মধ্যে থাকছে একাধিক হাই-এন্ড ফিচার, যা গ্রাহকদের চাহিদা ও বাজারের মানদণ্ডের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গাড়িটিতে থাকবে লেভেল-২ এডিএএস (Advanced Driver Assistance System), যা ড্রাইভিং নিরাপত্তা আরও বাড়াবে। এছাড়াও থাকবে পাওয়ার্ড টেইলগেট, যা বোতামের এক চাপে বুট খুলতে সক্ষম, এবং ডলবি অ্যাটমস (Dolby Atmos) অডিও সিস্টেম, যা প্রিমিয়াম সাউন্ড কোয়ালিটি নিশ্চিত করবে।
গাড়ির অভ্যন্তরীণ অংশেও মারুতি সুজুকি নতুনত্ব এনেছে। কেবিনে দেওয়া হতে পারে একটি ৯-ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম, যেখানে ওয়্যারলেস অ্যান্ড্রয়েড অটো এবং অ্যাপল কারপ্লে সুবিধা থাকবে। আরও থাকছে ডিজিটাল ড্রাইভার ডিসপ্লে, যা উন্নত ভিজ্যুয়াল তথ্য সরবরাহ করবে। গরমের দিনে আরামের জন্য সামনে ভেন্টিলেটেড সিট, এবং গাড়িটিতে থাকবে প্যানোরামিক সানরুফ, যা প্রিমিয়াম অনুভূতি দেবে। যদি এই সমস্ত ফিচার প্রোডাকশন মডেলে যুক্ত হয়, তবে প্রযুক্তিগত দিক থেকে এসকুডো সরাসরি হুন্ডাই ক্রেটার সমকক্ষ হয়ে উঠতে পারে।
ইঞ্জিন ও পাওয়ারট্রেনের ক্ষেত্রে এসকুডোকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে একাধিক বিকল্প রাখা হতে পারে। যদিও কোম্পানি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু ঘোষণা করেনি, তবে ধারণা করা হচ্ছে, এসকুডো গ্র্যান্ড ভিটারার ইঞ্জিন লাইনআপই অনুসরণ করবে। এর মধ্যে থাকবে ১.৫ লিটার কেএ১৫ ন্যাচারালি অ্যাসপিরেটেড পেট্রোল ইঞ্জিন, যা ইতিমধ্যেই পরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য। এছাড়াও থাকতে পারে এর সিএনজি (CNG) সংস্করণ, যা পরিবেশবান্ধব এবং জ্বালানি খরচে সাশ্রয়ী।
সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হবে টয়োটা উৎসের ১.৫ লিটার স্ট্রং হাইব্রিড ইঞ্জিন, যা যৌথভাবে ১৫০ বিএইচপি শক্তি এবং ২৬৩ এনএম টর্ক উৎপন্ন করবে। এর সঙ্গে থাকবে একটি ই-সিভিটি (e-CVT) গিয়ারবক্স, যা মসৃণ ড্রাইভিং অভিজ্ঞতা দেবে। এছাড়াও বাজারে প্রথমবারের মতো মারুতি সুজুকি আন্ডারবডি সিএনজি কিট যুক্ত করতে পারে, যা লাগেজ স্পেস আরও বাড়িয়ে দেবে। কিছু ভ্যারিয়েন্টে ৪ডব্লিউডি (4WD) বিকল্পও দেওয়া হতে পারে, যা শহুরে রাস্তার পাশাপাশি অফ-রোড পরিস্থিতিতেও গাড়িটিকে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দিতে সাহায্য করবে।
প্রত্যাশিত দাম নিয়েও বাজারে জোর আলোচনা চলছে। অনুমান করা হচ্ছে, মারুতি সুজুকি এসকুডোর প্রারম্ভিক ভ্যারিয়েন্টের দাম ₹৯-১০ লক্ষ এবং টপ-স্পেক ভ্যারিয়েন্টের দাম ₹১৮-১৯ লক্ষ (এক্স-শোরুম) এর মধ্যে থাকতে পারে। যদি কোম্পানি এই মূল্যে গাড়িটি বাজারে আনে, তবে এটি সরাসরি হুন্ডাই ক্রেটার তুলনায় আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।
তবে, এসকুডোর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সঠিকভাবে দাম, ফিচার এবং ফুয়েল এফিশিয়েন্সি-এর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা। কারণ হুন্ডাই ক্রেটা ইতিমধ্যেই তার প্রিমিয়াম লুক, উন্নত প্রযুক্তি এবং ফিচারসমৃদ্ধ ডিজাইন-এর জন্য বাজারে শীর্ষস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, টাটা নেক্সন তাদের নিরাপত্তা, সাশ্রয়ী দাম এবং বৈচিত্র্যময় ভ্যারিয়েন্ট-এর কারণে গ্রাহকদের মধ্যে বিশাল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
এসকুডোর পক্ষে সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে মারুতি সুজুকির বিস্তৃত এরিনা নেটওয়ার্ক, শক্তিশালী সার্ভিস সাপোর্ট এবং দীর্ঘদিনের ব্র্যান্ড বিশ্বাসযোগ্যতা। মারুতির লক্ষ্য থাকবে, এমন একটি পণ্য বাজারে আনা, যা শুধু প্রিমিয়াম এসইউভি বাজারেই নয়, বরং কমপ্যাক্ট এসইউভি এবং মিডসাইজ এসইউভি সেগমেন্টের মাঝখানে অবস্থান করে গ্রাহকদের এক নতুন বিকল্প দেবে।
এসকুডোর লঞ্চ নিঃসন্দেহে ভারতের এসইউভি বাজারে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই সেগমেন্টে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হবে, কারণ হুন্ডাই, টাটা, কিয়া, এমজি এবং মাহিন্দ্রার মতো ব্র্যান্ডগুলোও একের পর এক নতুন মডেল আনছে। এসকুডোর সাফল্য নির্ভর করবে, মারুতি কতটা দক্ষভাবে প্রযুক্তি, ডিজাইন, পারফরম্যান্স ও মূল্যের মধ্যে সমন্বয় করতে পারে তার উপর।
যদি সমস্ত প্রত্যাশা পূরণ হয়, তাহলে মারুতি সুজুকি এসকুডো হতে পারে ২০২৫ সালের ভারতের এসইউভি বাজারের অন্যতম বড় চমক। এটি শুধু হুন্ডাই ক্রেটা ও টাটা নেক্সনের আধিপত্যকেই চ্যালেঞ্জ জানাবে না, বরং প্রিমিয়াম মিডসাইজ এসইউভির জন্য গ্রাহকদের নতুন মানদণ্ডও স্থাপন করতে পারে।

